কোন শর্ত দিয়ে আমরা কিছু নেই না

সীমান্ত বিল বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের নতুন মাত্রা : প্রধানমন্ত্রী

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারতের লোকসভায় স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল পাস হওয়ায় দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে নতুন মাত্রা লাভ করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ দিনের কূটনৈতিক তৎপরতার ফলেই বিল পাস ও এর সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে বলেনও জানান প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এসএম মোস্তফা রশিদীর তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা জানান, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সংশ্লিষ্ট সমস্যাসমূহের গুরুত্ব ও গভীরতা উপলব্ধি করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে দুই দেশের সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানকল্পে ১৯৭৪ সালের ১৬ মে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। যা স্থল সীমানা চুক্তি ১৯৭৪ (মুজিব-ইন্দিরা) চুক্তি হিসেবে বিবেচিত। একই বছর ২৮ মে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে চুক্তিটি অনুমোদিত হয় ও আইন পাস হয়।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি ব্যক্তিগতভাবে এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করি। চুক্তিটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১০-১১ সালে টেকনিক্যাল পর্যায়ে দু’দেশের মধ্যে কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়। এর ভিত্তিতে ২০১১ সালে একটি প্রটোকল প্রণীত হয়। এরপর ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং এর বাংলাদেশ সফরকালে প্রটোকলটি দু’দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা স্বাক্ষর করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের ৭ মে লোকসভা এবং রাজ্য সভায় ১১ মে ভারতের সংবিধান সংশোধন বিল (১০০ তম) সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।

সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরে দু’দেশের মধ্যে অনুসমর্থন উপকরণ (Instrument of Ratification) বিনিময় হয়। এরমধ্য দিয়ে দু’দেশের মধ্যে ১৯৭৪ সালের স্থল সীমানা চুক্তি এবং এর প্রোটকলটি কার্যকর করা সম্ভব হলো। ফলে ৬৮ বছর পর এ সমস্যার সমাধান হলো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চুক্তিটি স্বাক্ষর হওয়ার ফলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত ভারতীয় ১১১টি ছিটমহলের আয়তন ১৭ হাজার ১৬০ একর এবং জনসংখ্যা ৩৭ হাজার ৩৬৯ জন। পক্ষান্তরে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থিত বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের আয়তন ৭ হাজার ১১০ একর এবং জনসংখ্যা ১৪ হাজার ৯০ জন। স্বাক্ষরিত প্রটোকল অনুযায়ী যে ছিটমহল যে দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত তা সে দেশেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। এর ফলে বাংলাদেশ নীট ১০ হাজার ৫০ একর জমি বেশি পাবে। ছিটমহলে বসবাসকারী জনগণ সংশ্লিষ্ট ছিটমহল স্বাভাবিকভাবে যে দেশে অন্তর্ভুক্ত হবে স্থানান্তরের মাধ্যমে তিনি সে দেশের নাগরিক হবেন, তবে ইচ্ছা করলে তাদের পূর্ববর্তী দেশের নাগরিক হওয়ার সুযোগ থাকবে।

শেখ হাসিনা বলেন, সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরে ৬টি চুক্তি, ৬টি প্রটোকল ও অন্যান্য এবং ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এরফলে বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বর্তমানে নতুন মাত্রা লাভ করেছে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের নতুন নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হয়েছে। দু’দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, সরকারি এবং সাধারণ জনগণ পর্যায়ে যোগাযোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরপর আগামীতে ভারতের সাথে বাংলাদেশের যে সকল দ্বিপাক্ষিক সমস্যা রয়েছে সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। উভয় দেশের জনগণের মাঝে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো গভীর ও জোরদার হবে।

“কোন শর্ত দিয়ে আমরা কিছু নেই না”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ রেখেই বন্ধুত্বপূর্ণভাবে ভারতের কাছ থেকে অর্থ সহায়তা গ্রহণ করা হয়েছে। কোন শর্ত দিয়ে আমরা কিছু নেই না।

স্বতন্ত্র সদস্য মো. রুস্তম আলী ফরাজীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ভারতের কাছ থেকে ইতোপূর্বে ১ বিলিয়ন ডলার পাওয়া গিয়েছিল। এর মধ্যে ২শ’ মিলিয়ন ডলার অনুদান হিসেবে এসেছিল। এগুলো মূলত অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। এ সব উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন কাজ চলমান রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ভারতের প্রধনামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক সফরে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ অর্থ কোন কোন খাতে ব্যয় করা হবে তা আলাপ-আলোচনাক্রমে ঠিক করা হবে। এ ব্যাপারে কোন শর্ত নেই। আমরা আমাদের মতো করে এ অর্থ ব্যয় করতে পারবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন দ্রুত অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর হচ্ছে। বাংলাদেশের জিডিপি’র পরিমাণ বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিশ্বব্যাংক থেকে একটি রিপোর্ট সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে।

রিপোর্টে দেখা যায়, জিডিপি’র পরিমাণ বৃদ্ধির দিক থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ যে জিডিপি’র টার্গেট করেছে তা পূরণ করে দেশকে যেভাবে দ্রুত উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাওয়া যাবে, সেভাবে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে যে যে খাতে অর্থ ব্যয় করা প্রয়োজন সেগুলো মাথায় রেখে অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করা হবে।

তিনি বলেন, এ অর্থ আমরা যে যে খাতে যেভাবে ব্যবহার করতে চাই সেভাবেই ব্যবহার করতে পারবো। কোন ধরনের শর্ত দিয়ে এ অর্থ গ্রহণ করা হয়নি।

“সরকার সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করছে”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের সু-স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে বর্তমান সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করছে।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. রুস্তম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদকে একথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করতে আওয়ামী লীগ সরকার বিগত ৬ বছরে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রতি ৫০ জনের জন্য ১টি সরকারি পানির উৎস নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এযাবত আর্সেনিক আক্রান্ত এলাকাসহ গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের ১ লাখ ৮২ হাজারটি আর্সেনিকমুক্ত নিরাপদ পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ১ লাখ ৮০ হাজার ২৫০টি হ্যান্ড টিউবওয়েল ও ১ হাজার ২৩০টি পিএসএফ (পুকুর বা জলাশয়ের পাড়ে বালি ও খোয়ার মাধ্যমে পানি শোধন করে ট্যাপের সাহায্যে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং ৫৭০টি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং ৮৬টি গ্রামকে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশের ১৩৪টি পৌরসভার আওতাধীন অধিক্ষেত্রে পানি উৎপাদনে সক্ষম এবং এসব পৌরসভার দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫শ’ মিলিয়ন লিটার। সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক স্কুলে ১৫ হাজার ১২৩টি বিভিন্ন প্রকার পানির উৎস এবং ৮ হাজার ৩৭১টি ওয়াশ ব্লক স্থাপন করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ফিল্ড টেস্ট কিটের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে পানির গুণাগুণ পরীক্ষা এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে ১২টি ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ১টি মোট ১৩টি ল্যাবরেটরীতে পানির গুণাগুণ পরীক্ষা করার কাজ অব্যাহত রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী ওয়াসার মাধ্যমে দৈনিক পানি সরবরাহের পরিমাণ যথাক্রমে ২ হাজার ৩শ’ মিলিয়ন লিটার, ১৮০ মিলিয়ন লিটার, ১২১ মিলিয়ন লিটার এবং ৬২ মিলিয়ন লিটার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে নাগরিকদের স্বার্থে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থাকল্পে বর্তমান সরকারের চলমান, দীর্ঘমেয়াদী ও প্রেক্ষিত পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন নিরাপদ পানি সংকট না হয় সেজন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, গ্রামাঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য চলমান ও প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার বিভিন্ন ধরনের পানির উৎস এবং ৭৫টি গ্রামে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নির্মাণ করা হবে। চলমান ও প্রক্রিয়াধীন বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ১৪০টি নতুন পৌরসভায় পাইপে ওয়াটার সাপ্লাইয়ের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে সমস্যা সঙ্কুল এলাকায় লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গ্রামাঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে পানির উৎসের পরিবর্তে পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্থাপনে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

“সরকার বিভিন্ন জনমুখী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,বর্তমান সরকার দেশ ও মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন জনমুখী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের জনগণের জন্য ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার খাদ্যদ্রব্য ভেজালমুক্তকরণে বদ্ধপরিকর এবং এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশের জনগণের কল্যাণে এবং জনগণের সু-স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মো. নবী নেওয়াজের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতকরণে ‘পিওর ফুড অর্ডিন্যান্স, ১৯৫৯’ রহিত করে ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ প্রণয়ন করা হয়েছে। আইনটি ২০১৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারীতে কার্যকর হয়েছে।

এ আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আইনটির অধীন সরকার ‘বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি কর্তৃপক্ষ ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারীতে প্রতিষ্ঠা করেছে। একজন চেয়ারম্যান ও চারজন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে খাদ্য ভবনে নিজস্ব অফিস স্থাপনের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪১ ও ৪২ ধারায় ভেজাল প্রতিরোধে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ মোবাইল কোর্ট আইনের তফসীভুক্ত করা হয়েছে এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ এই আইন নিষ্ঠার সাথে বাস্তবায়নে মাধ্যমে ভেজাল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাদ্যদ্রব্যে ফরমালিন মিশ্রণ রোধ করার জন্য ‘ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে। ফলমূলে কার্বাইড মিশ্রণ রোধ করার জন্য নীতিমালা জারি করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সাধারণ জনগণের কল্যাণের বিষয়টি মাথায় রেখে মাঠ পর্যায়ে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার ও প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, উৎপাদনকারী ও বাজারজাতকরণ পর্যায়ে ভেজাল প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।


ছবি ঘর বিভাগের আরো খবর...
সরকারি চাকরিতে কোটা ইস্যুতে  হাইকোর্ট থেকে সমাধান আসা উচিত: প্রধানমন্ত্রী সরকারি চাকরিতে কোটা ইস্যুতে হাইকোর্ট থেকে সমাধান আসা উচিত: প্রধানমন্ত্রী
আইএমএফ ঋণের তৃতীয় কিস্তি পেল বাংলাদেশ আইএমএফ ঋণের তৃতীয় কিস্তি পেল বাংলাদেশ
ভেঙে দেওয়া হচ্ছে সাদিক অ্যাগ্রো ফার্ম ভেঙে দেওয়া হচ্ছে সাদিক অ্যাগ্রো ফার্ম
গণতন্ত্র আছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র আছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পথচলা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পথচলা
আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলুন : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলুন : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
কোরবানির সুস্থ পশু চেনার উপায়, অসুস্থ গরু থেকে সাবধান কোরবানির সুস্থ পশু চেনার উপায়, অসুস্থ গরু থেকে সাবধান
এইডসের গুজবে বিব্রত মমতাজ এইডসের গুজবে বিব্রত মমতাজ
জুনেই ঢাকায় আসতে পারেন নরেন্দ্র মোদি জুনেই ঢাকায় আসতে পারেন নরেন্দ্র মোদি

সীমান্ত বিল বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের নতুন মাত্রা : প্রধানমন্ত্রী
(সংবাদটি ভালো লাগলে কিংবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।)
tweet